রাজশাহী মহানগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তরিকুল আলম পল্টুকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রায়হান হত্যা মামলার আসামি হিসেবে বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন তিনি। তবে কারাগারে থেকেও তিনি ভাই ও ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তরিকুল আলম পল্টু দীর্ঘদিন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে জমি দখল, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রভাব খাটানো এবং নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী পরিচালনার অভিযোগ ছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
এছাড়া গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাকে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে কারাগারে থাকা পল্টু আবারও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন, এমন অভিযোগ করছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের দাবি, তার ঘনিষ্ঠজন ও পরিবারের সদস্যরা এলাকায় বিভিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, পল্টুর অনুসারীরা এখনও এলাকায় সক্রিয় রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তরিকুল আলম পল্টু বা তার পরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তরিকুল আলম পল্টু দীর্ঘদিন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে জমি দখল, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রভাব খাটানো এবং নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী পরিচালনার অভিযোগ ছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
এছাড়া গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাকে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে কারাগারে থাকা পল্টু আবারও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন, এমন অভিযোগ করছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের দাবি, তার ঘনিষ্ঠজন ও পরিবারের সদস্যরা এলাকায় বিভিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, পল্টুর অনুসারীরা এখনও এলাকায় সক্রিয় রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তরিকুল আলম পল্টু বা তার পরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক